• ১৯ মাঘ ১৪৩২, শুক্রবার ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Fifth Part

নিবন্ধ

ফারাও এর দেশ ঘুরে... (ভ্রমণ কাহিনী) পঞ্চম পর্ব

পরের দিনের আমাদের গন্তব্য ছোট্ট শহর লাক্সর। এই শহর টি কায়রো থেকে প্রায় ৭০০ কি.মি দূরে।আমরা প্লেনে করে এখানে চলে এলাম।তাই সময় বেশ কম লাগলো। মিশরের অন্তর্দেশীয় ফ্লাইটের জন্য যে প্লেন গুলো চলে, তার symbol দেখলেও অবাক হয়ে যেতে হয়। মিশরীয়দের প্রিয় হরাস দেবতার চোখ আঁকা থাকে। এই হরাস একে দেবতা তায় আবার বাজ পাখি, তাই উচ্চতার সাথে উড়ান দিতেও এর জুড়ি মেলা ভার। এর জন্যই মিশরকে এত ভালো লাগে। এরা সূক্ষ্মতার উপর জোর দেয় বেশি। লাক্সর শহরের এয়ার পোর্ট টি খুব সুন্দর। ছোট্ট হলেও খুব পরিষ্কার আর রুচি সম্মত। এখানে এলেই বোঝা যায় , যে আমরা মিশরীয় সভ্যতার একদম কেন্দ্র স্থলে চলে এসেছি। এখানে আমরা একটি বোট এ থাকব। দু দিন এখানেই ঘুরব। তারপর নৌকা চলতে থাকবে। আর যতক্ষণ এ নৌকা দাঁড়িয়ে থাকবে ততক্ষণ নীল নদের উপরেই, তার পাড় ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকবে।লাক্সর এর পুরনো মিশরীয় নাম হল থীবস। শহরের ঝকঝকে ভাব না থাকলেও মাটির গন্ধ ভাল ভাবেই রয়েছে। আর এটিই হল লাক্সরের বিশেষত্ব। আর মিশরের সব বড় শহরের মত এখানেও, তার প্রাণ কেন্দ্রটি হল নীলনদ। নীল নদের দুই পাড়ে প্রচুর ক্ষেত, আর বড় বড় গাছ। আগে প্রতি বছর নীলনদে যে বন্যা হত, সেই বন্যার ফলে তৈরি হওয়া প্লাবন ভূমিতে চাষ করা হত, আর এখনও তাই হয়। মিশরীয় ভাষায় এই উর্বর মাটিকে বলা হয় কেমেত বা Kemet (land of black soil), আর বাকি মরুভূমি অঞ্চল কে (যা মিশরের প্রায় ৯০%) বলা হয় Land of Red soil ।লাক্সর এসে দেখা গেল, মিশরীয় সেচ ব্যবস্থার চেহারা। আমরা যে রাস্তা দিয়ে চললাম তার পাশ দিয়ে বয়ে চলছিল নীল নদের একটি ক্যানাল। রাস্তার দুই দিকে কুঁড়ে বাড়ি, যা আমাদের দেশের কথাই মনে করায়। তবে কুঁড়ে বাড়ির ছাদটি অন্যরকম। ওদের দেশে ছাদ সমান, আমাদের মত আটচালা style ওখানে নেই। চারিদিকে খেজুরের গাছ। গ্রামের ছোট বাচ্ছারা নিজেদের মধ্যে খেলাধুলা করছে। কখনও কখনও আমাদের উপস্থিতি তে অত্যন্ত বিরক্তও হচ্ছে।এখানে আমাদের থাকার জায়গা , নদীর মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা একটি বড় নৌকা বা cruise। এটিকে নৌকা না বলে ছোটখাটো একটি শহর বলা উচিত। ঘর, বারান্দা, ছাদ, খাবার ঘর, club, দোকান সব পাওয়া যায় এখানে। ছোট একটা জাহাজের মত। আমাদেরটির নাম ছিল Nile Quest । প্রত্যেকে নিজেরদের ঘরে এসে দেখলাম এলাহি ব্যবস্থা। একটা ভাল হোটেলের ঘরে যা যা থাকে, এখানেও সে সবই আছে। এখানে শুধু মাত্র একটি বোট নয়, বেশ কিছু বোট পাশাপাশি দাঁড়িয়ে আছে। একটির পর একটি পার করে নিজেদের টায় আসতে হয়।ভুল করলে কিন্তু অন্যদের বোটে চলে যাবার সমুহ সম্ভাবনা।প্রতি ঘরে একটি করে জানলাও আছে নদীর দিক করে।তবে সেটি নৌকা চলার পর উপভোগ করা যাবে । প্রথমে তো সেই জানলা খলার চেষ্টা করে প্রায় ভেঙেই দিচ্ছিলাম , পরে বুঝলাম ঘরে A.C চলায় জানলা খোলা রাখা যাবেনা । দুপুরে এলাহি খাবার খেয়ে আমরা রওনা দিলাম কারনাক ও লাক্সরের মন্দিরের উদ্দেশ্যে।কারনাক মন্দিরকারনাক ও লাক্সর এর মন্দির দুটিই মিশরের পুরনো রাজধানী থীবস এ অবস্থিত। প্রাচীন মিশরকে সাধারণ ভাবে দুটি ভাগে ভাগ করা যায় । আপার ও লোয়ার মিশর বা উত্তর ও দক্ষিণ মিশর। আগে এই দুই ভাগ আলাদা আলাদা ভাবে বিচরণ করত, তাদের সব কিছু আলাদাই ছিল। পরে ফারাও মেনেস এই দুই ভাগ কে এক করেন ও সমগ্র মিশরের একটিই রাজধানী প্রতিষ্ঠিত করেন। এই ঘটনাকে ছবিতে প্রকাশ করা হয়েছে, আপার বা উত্তর মিশরের Symbol হল পদ্ম আর লোয়ার বা দক্ষিণ মিশরের symbol হল প্যপিরাস। এই দুই এর মিলনই হল দুই মিশরের মিলন। এর ছবি দেখলে আমাদের পুরানের সমুদ্র মন্থন এর গল্প বা তার ছবি কল্পনায় ভেসে ওঠে।কারনাক মন্দিরের প্রবেশর পথ, দু দিকে সারি দিয়ে ছাগল জাতীয় পশুর মূর্তিআমরা প্রথমে গেলাম কারনাক এর মন্দিরে। কারনাক মন্দির চত্বরটি অতিকায় এবং বহু বছর ধরে বানান। এখানে বিভিন্ন রাজা বা রানীর কীর্তি আলাদা আলদা করে বোঝা যায়। এঁদের মধ্যে সব থেকে উল্লেখযোগ্য হলেন রামেসিস দ্বিতীয় বা Great Ramesis। এই মন্দিরে ঢোকার রাস্তার দু দিকে সারি সারি Ram বা বড় ছাগল জাতীয় পশুর মূর্তি আছে। আর সেই ছাগল গুলির প্রতিটির সামনে একটি করে ছোট আকারের রাজার মূর্তি আছে। যেন রাজাকে রক্ষা করছে এই পশুটি । রাজা বলে মনে হবার সম্ভাবনা কম ছিল, তবে শুধু হাত এর অবস্থান দেখে বোঝা যায় (অর্থাৎ, হাত দুটি অসিরিস এর মত করে রাখা) । এরপরের প্রশ্ন আসে, কোন রাজার এত মূর্তি গড়া হল? ঐতিহাসিকরা অনেক খুঁজে একটি মাত্র মূর্তির বুকে রাজার নামাঙ্কিত খারতুশ দেখতে পান। এই খারতুশ থেকে প্রমাণ হয় যে মূর্তি গুলি সব ই ফারাও রামেসিস দ্বিতীয়র।এই মূর্তিতেই রাজার বুকে চিহ্নিত খারতিশের মধ্যেই দ্বিতীয় রামেসিসের নাম পাওয়া যায়, খারতুশখারতুশ হল মিশরীয় একটি প্রতীকের মত। ডিম্বাকৃতি আকারের একটি ফলক মত। যার মধ্যে মিশরীয় ভাষায় কিছু বিশেষ নাম বা অর্থ কে লেখা হয়। আজকাল কার দিনে লেখার মধ্যে Highlight করার মত। এই বিশেষ জায়গা গুলতেই সাধারন ভাবে রাজার নাম লেখা থাকত। বিভিন্ন রাজার বিভিন্ন খারতুশ হত। আর কারনাকেও এই খারতুশ দেখেই রামেসিস এর নাম জানা গেছিল।এরপর আমরা একের পর এক চমক পেতে পেতে মন্দিরের ভিতরে যেতে শুরু করলাম। যত এগোতে লাগলাম, তত অবাক হওয়া বাড়তে লাগল। প্রতি কোনায় এমন সব জিনিস রয়েছে যে মনে হচ্ছিল কোন দিকে আগে যাব কোনটায় যাবনা। যাই হোক, শুরুতেই চোখে পড়ল পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট অবেলিস্ক। অবেলিস্ক হচ্ছে, পাথরের তৈরি একটি মিনার বা পিলার। সাধারণ ভাবে এক একটি অবেলিস্ক এক একটি গোটা পাথর থেকে তৈরি হয়। অর্থাৎ সব অবেলিস্ক ই এক একটি monolith। অবেলিস্ক গুলি বানাতে বানাতে যদি কোন ভাবে পাথরে ফাটল দেখা যেত বা ভুল কোন লেখা হয়ে যেত, তাহলে সেই পাথরের পিলারটি সম্পূর্ণ ভাবে বাতিল করা হত। অবেলিস্ক, রাজাদের নিজেদের ক্ষমতা প্রদর্শনের একটা প্রক্রিয়া মাত্র। যত ক্ষমতাশালী রাজা, তত বড় অবেলিস্ক। অবেলিস্ক সাধারন ভাবে মন্দিরেই থাকত। প্রাচীন ভারতে যেমন মন্দিরের চূড়া বা মসজিদের মিনারকে লম্বা হতে দেখা যায়, তেমনি মিশরে অবেলিস্কের লম্বা হবার রীতি ছিল।এর কারণ অবেলিস্ক কে দূর থেকে দেখে পথ চলতি মানুষ বুঝতে পারবেন যে ওইখানে একটি মন্দির আছে, ফলে রাতে থাকার জায়গা ও খাবার দুই ই পাওয়া যাবে। প্রতিটি অবেলিস্ক কোন রাজা বা রানীকে উৎসর্গ করে তৈরি করা হত। তাঁদের সবার কীর্তি অবেলিস্কে লেখা থাকত।কারনাক মন্দিরে রানী হাতসেপ্সুত ও তাঁর বাবা থুতমস দ্বিতীয়ের অবেলিস্ক রয়েছে। রানী হাতসেপ্সুতের অবেলিস্ক টি আজও এত সুন্দর ও নিখুঁত যে মনে হয়, computer এর print করা মনে হয়। তিনি নিজের বাবাকে সম্মান দেখানোর জন্য, নিজের অবেলিস্কটি একটু ছোট করে তৈরি করেন। অবেলিস্ক গুলি সব গোলাপি রঙের granite পাথরের তৈরি।তাই প্রতিটিই একটু লালচে বা গোলাপি রঙের দেখতে। এই পাথরগুলি খুব সম্ভবত লাক্সরের কাছে আসয়ান বা Aswan থেকে নিয়ে আসা।অবেলিস্ক, কারনাক মন্দিরের ভিতরকারনাক মন্দির যখন তৈরি করা হয় তখন তার ছাদ ছিল। তবে আজ আর সে বর্তমানে নেই, তবে তার কিছু আভাস আজও পাওয়া যায়। ছাদ থাকায় মন্দিরে সরাসরি সূর্যের আলো প্রবেশ করার উপায় ছিলনা, তাই মন্দির দেওয়ালে জানলা করা হত। সাধারন ভাবে মরুভুমি অঞ্চলে বাড়িতে জানলা থাকেনা, তাই কারনাক এর মন্দিরের গায়ে জানলা থাকায় আলো আসার কথাটিই মাথায় আসে। সেই জানলা আজ ও বর্তমান। আর এই জানলাগুলি ছিল অনেক উঁচুতে ফলে আশা করা যায় শুধু আলর জন্যই এগুলি বানানো।এই মন্দিরে বিশাল আকৃতির পিলার দেখতে পাওয়া যায়। তার প্রতিটির মাথায় বিভিন্ন কারুকাজ করা। এই উঁচু পিলার গুলির জন্যই এই মন্দিরকে hypostyle pillar temple বলে। তবে এটিকে শুধু মন্দির না বলে মন্দির গুচ্ছ বলা উচিত।কারনাক মন্দিরে, পিলারের উপরে রঙিন হিয়েরগ্লিফ লেখা।এই মন্দিরের দেওয়ালে, পিলারে বা ছাদে ইত্যাদি বিভিন্ন জায়গায় রঙ্গিন ছবি আঁকা ছিল। আজও কিছু অংশে সেই সব ছবি কিছুটা হলেও দেখা যায়।অপূর্ব সব প্রাকৃতিক রঙের ব্যবহার । যা আজ থেকে প্রায় ৪০০০ হাজার বছর আগে আঁকা হলেও অমলীন। আর প্রতি পিলারে হিয়েরগ্লিফের লেখা। এ সব দেখে একটাই প্রশ্ন মাথায় আসে যে, মিশরীয়রা এত কি লিখেছিলেন? এত কি কথা থাকতো বলার জন্য।ছাদের অংশ বিশেষ এতটাই উঁচুতে যে ক্যামেরা বন্দি করা প্রায় অসম্ভব। তবুও চেষ্টা করে গেছি। আর খালি অবাক হয়েছি যে এত সুন্দর রঙের ব্যবহার ওঁরা শিখল কথা থেকে। কি করে বুঝল যে এই সব রঙ লাগালে তা থাকবে হাজার হাজার বছর। জানি না, তবে প্রশ্ন থেকেই যায় মনের মধ্যে।এই সব দেওয়াল চিত্র বা hieroglyph এর মধ্যে একটি চিত্র বার বার চোখে পরতে লাগল । একটি হাঁস জাতীয় পাখির উপর লাল রঙের গোল সূর্য । মিশরীয় ভাষায় যাকে বলে সা-রা (Sa-Ra) । যার প্রকৃত অর্থ Son of God Raa বা সূর্য দেবের পুত্র।প্রাচীন মিশরের প্রধান আরাধ্য দেবতা ছিলেন সূর্যদেব বা রা। তাই মিশরের রাজারা সবাই নিজেদের সেই দেবতার পুত্র বলে পরিচয় দিতেন। এই ধরনের অভ্যাস বোধহয় পৃথিবীর সব সভ্যতাতেই দেখা যায়। যেমন ভারতে সম্রাট অশোক নিজেকে দেবতার প্রিয় , শ্রী প্রিয়দর্শী (Devanam piya , Piyadassi) বলেছেন। বা পরবর্তী সময়ে আরও অনেক সম্রাটদেরই এই রকম পদ্ধতি গ্রহন করতে দেখা যায় । এর ঐতিহাসিক ব্যাখ্যাহল, এর দ্বারা রাজারা প্রজাদের কাছে নিজেদের গ্রহন যোগ্যতা তৈরি করতেন।এই মন্দিরের ভিতরে একটি বড় জলাশয় আছে। মরুভুমির মাঝে অত বর জলাশয় দেখে বঝা যায় যে রাজারা প্রজাদের খেয়াল রাখতেন। এই জলাশয়ের পাশে একটি বড় পাথর আছে , যার আকার খানিকটা Scurb বা মিশরীয় দেবতা খেপরীর মত। লোকমত অনুযায়ী এই খেপরী কে ছুঁয়ে যদি ৭ বার ঘোরা যায় তাহলে মনের ইচ্ছা পূর্ণ হয়, কারন খেপরী হলেন মিশরীয়দের ভাগ্য দেবতা। এর জন্যই যে কোন সমাধি ক্ষেত্রে খেপ্রির ব্যবহার চোখে পরার মত। এর সাথেই দেখা যায় বড় বড় চওড়া দেওয়াল, যাতে অপূর্ব কারুকাজ করা বা লেখা। আসলে মিশরীয়দের হিয়েরগ্লিফ লেখা গুলি ত ছবির মতই দেখতে, তাই কারুকাজ, না ছবি, না লেখা বুঝতে ভুল হয়ে যায়। আর আশ্চর্য হই এই ভেবে যে লৌহ যুগের আগে কিভাবে এত নিখুঁত কাজ করা সম্ভব।কারনাক মন্দিরের দেওয়ালএরপর আমরা পৌঁছলাম লাক্সর মন্দিরে। বর্তমান শহরের ঠিক মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে এই মন্দির আর মনে হচ্ছে যেন প্রাচীন ও আধুনিক যুগের মধ্যে যোগাযোগ সুত্র তৈরি করছে। সামনে গিয়ে দাঁড়ালেই এক টানে নিয়ে যাবে ৪০০০ বছর আগে।চোখের সামনে ভেসে উঠবে ফারাওদের সময়কাল। আসলে মিশরে বেড়াতে আসার পুরোটাই যেন Time Machine এ চড়ে ঘুরে বেড়ানো। আর সেই যাত্রায় সাহায্য করবে পাশ দিয়ে বয়ে চলা নীল নদ।লাক্সর মন্দির সন্ধ্যের আলোয়এই মন্দিরে ঢুকতেই দেখতে পেলাম একটি রাস্তার মত অংশ সদ্য আবিষ্কৃত হয়ে পরে রয়েছে। জানলাম এই রাস্তা টিকে বলা হয় স্ফিংক্স রাস্তা বা Sphinx Avenue। এই রাস্তার উপর এখনও ঐতিহাসিকরা কাজ করছেন। রাস্তাটির দুই পাশে আজ অবধি ২৪৮ টি স্ফিংক্স এর মূর্তি পাওয়া গেছে এবং খনন কাজ এখনও চলায় আরও পাবার সম্ভবনা আছে। জানা গেল যে প্রাচীন কালে কারনাক ও লাক্সরের মন্দির দুটি এই রাস্তা দিয়ে যুক্ত ছিল। বছরে একবার উৎসব হত ১৪দিন ধরে। অনুষ্ঠান শুরু হত কারনাক এর মন্দিরে আর শেষ হত লাক্সরে। এই রাস্তা দিয়েই তখন উৎসবের মিছিল চলত। কিন্তু বর্তমানে এর অনেকটা অংশ ঢাকা পরে গেছে, ফলে তার উপর বাড়ি, শহর মানুষজনের বসতি শুরু হয়ে গেছে আর মানুষ ভুলে গেছে এই রাস্তার কথা। হয়ত হাওয়া তে কান পাতলে এখন উৎসবের শব্দ, ছেলে মেয়েদের হাসি শোনা যাবে, তবে আজ আর তাদের কথা শোনার সময় নেই কারোর। নিজেদের স্মৃতি নিয়ে একাই বসে আছে স্ফিংক্সগুলি।মন্দিরে ঢোকার আগেই একটা ছোট মন্দির দেখলাম। একজন দেবী দাঁড়িয়ে আছেন। কিন্তু মূর্তির মাথা নেই। দেবীর পোশাক দেখে মনে হয় যে কোন গ্রীক বা রোমান দেবী। শুনলাম দেবী হলেন Aphrodite, গ্রীকদের সৌন্দর্য ও বিদ্যার দেবী। এটি দেখে বোঝা যায় যে, রোমানরা এই অঞ্চলে এসে যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করার চেষ্টা করেছিলেন। মিশরীয় শিল্পের সাথে মিলিয়ে তাদের শিল্পকেও স্থান দেবার চেষ্টা করেছিলেন। তাতে খুব একটা সফল হতে হয়েছিলেন সে কথা বলা শক্ত।লাক্সর মন্দিরের ভিতরলাক্সরের মন্দিরেও রামেসিস দ্বিতীয়র অবদান খুব স্পষ্ট। এই মন্দিরের ভিতরে একটি মসজিদ আছে। এটি বহু পুরনো, যবে থেকে আরবরা এই অঞ্চল দখল করেন, সেই সময় থেকে এটি আছে। আজও সেখানে প্রার্থনা হয়। আমাদের সামনেই শুরু হল সন্ধ্যের আজান। তৈরি হল এক অদ্ভুত অনুভুতি। বাড়ি থেকে কয়েক হাজার মাইল দূরে, সুদূর মিশরে, নীল নদের ধারে ৪০০০ বছর পুরনো লাক্সর মন্দিরে বসে সূর্যাস্ত দেখা আর সাথে মিঠে আজানের সুর। একেই বোধহয় বলে সর্ব ধর্ম সমন্বয়ের উদাহরণ । পরিবেশ টা হয়ে উঠল মহময়ী। সূর্যাস্তের কমলা আভা সারা আকাশ জুড়ে, আর পূব আকাশে আঁধারের ঘোরে ক্রমশ উজ্জ্বল হয়ে উঠছে বাঁকা চাঁদ। পাশের নীল নদ সন্ধ্যের কমলা কালো রঙ মেখে বয়ে চলেছে নিজের ঠিকানায়। সেই মুহূর্তে শতাব্দী প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার মন্দির, যাকে পারথেনন বলেও ভুল হয়, সেখানে আজানের সুরে আর পাখির গানে সন্ধ্যে নামছে। আর সারা পৃথিবীর অসংখ্য মানুষ বিস্ময়ে তাকিয়ে আছে তার দিকে। এক সাথে গ্রীক-রোমান, মিশরীয়, ইসলামীয় আচারের মিশ্রণ। কি যে অদ্ভুত এই মিশ্রণ সে না দেখলে বোঝা যাবেনা।লাক্সর মন্দির আমন দেব ও তাঁর স্ত্রী দেবী মুট এর জন্য উৎসর্গিত। এই মন্দিরের মধ্যে ফারাও তুত-আঙ্খ-আমন ও তাঁর স্ত্রী আঙ্খ-সে- আমন এর মূর্তি দেখলাম। মূর্তি দুটি মার্বেল পাথরের তৈরি, তবে সমান উচ্চতার। এর থেকে বোঝা যায় যে রাজা অত্যন্ত উদার মনের। কারন মিশরে পুরুষ তান্ত্রিক সমাজ বলে রাজা ও রানীর মূর্তিতেও উচ্চতার ফারাক রাখা হত। রানীর মূর্তি হত উচ্চতায় ছোট আর সাধারণ ভাবে রাজার পাশে রানীর বসার ব্যবস্থা থাকতনা।এই মন্দিরে খুব স্পষ্ট দেবী Sashet এর মূর্তি দেখলাম। এই দেবী মিশরীয়দের বিদ্যা আর কারিগরি বিদ্যার দেবী। খানিকটা ভারতীয় দেবী সরস্বতীর মত।এখানে দেখলাম রামেসিস দ্বিতীয়র মূর্তির পিছনে তাঁর অবেলিস্ক টি, মূর্তিটিকে যেন সহায়তা করছে দাঁড়িয়ে থাকার জন্য। মন্দিরের ভিতরের অংশে রঙ দিয়ে আঁকা ছবি দেখা গেল। কিছু ছবিতে, ইউরোপীয় ধাঁচ লক্ষ্য করা যায়। বোঝা যায় যে রোমানরা এখানে এসে এদের ধর্ম কে মুছে ফেলতে চেয়ে খ্রিষ্টান ধর্মের প্রচার করতে চেয়েছেন। তবে কত টা সফল হয়েছে সে বিষয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। শিল্প ও ধর্মের ক্ষেত্রে এই অদ্ভুত আচরণ সারা পৃথিবীতেই বিভিন্ন সময়ে দেখা যায়। মানুষ হয়েও এত বর্বর আচরন ভাবা যায়না। বা হয়ত বলা উচিত মানুষ বলেই এতটা অনাচার করতে পেরেছে ও সহ্য করতেও পেরেছে। তবে আজ আমরা একে যেভাবে দেখছি, সেটি একটি অন্য এক রূপ প্রকাশ করছে। মিশরীয় দেবতার মন্দিরে একদিকে মসজিদে শোনা যায় আজানের সুর, অন্যদিকে যীশু উঁকি দেন দেওয়ালের ফাঁকে। দেবতায়- ঈশ্বরে কোন ভেদ নেই, ভেদাভেদ শুধু মানুষের মনে, আর মনের মধ্যে। তাই বোধহয় দেবতারাও আজ মুখ ফিরিয়ে নিতে চাইছেন আমাদের থেকে।কিছু সুন্দর মুহূর্তের সাক্ষী হয়ে ফিরে এলাম আমাদের নৌকাতে। মনের মধ্যে শুধু জ্বলতে থাকল লাক্সার মন্দিরের ভিতরের পরিবেশ। মনে হতে লাগল, যদি হতে পারতাম ওদের দলের একজন, থেকে যেতাম এই শহরেই, জীবনের বাকি অংশটা কাটিয়ে যেতাম।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২২

ট্রেন্ডিং

দেশ

মেঘালয়ের কয়লাখনিতে বিস্ফোরণ, ধসে চাপা অন্তত ১৬ শ্রমিক, নিখোঁজ আরও বহু

মেঘালয়ের তাসখাই এলাকার একটি কয়লাখনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের জেরে ধস নামল খনির ভিতরে। এই দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৬ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বহু শ্রমিক এখনও নিখোঁজ। তাঁদের অনেকেই খনির ভিতরে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি বিচার করে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছেন উদ্ধারকারী দল। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, মৃত শ্রমিকদের অধিকাংশই অসমের বাসিন্দা।দুর্ঘটনার পরেই খনির মুখ থেকে কালো ধোঁয়া বেরোতে শুরু করে। বাইরে থাকা শ্রমিকেরা আতঙ্কিত হয়ে খনির সামনে ভিড় জমান। ঘটনাস্থলে কয়েকজন মহিলা ও শিশুকেও দেখা যায়। জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণটি খনির ভিতরেই ঘটে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মেঘালয় পুলিশ। দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও উদ্ধারকাজে হাত লাগায়। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধার অভিযান।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খনির ভিতরের পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক। সেখানে এখনও দাহ্য গ্যাস জমে আছে কি না, নতুন করে বিস্ফোরণের আশঙ্কা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃত শ্রমিকদের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। অনুমান করা হচ্ছে, খনির ভিতরে দাহ্য গ্যাস জমে আচমকা বিস্ফোরণ হতে পারে। আবার অবৈধ ভাবে বিস্ফোরক ব্যবহারের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারীরা। কারণ যাই হোক, আপাতত নিখোঁজ শ্রমিকদের উদ্ধারে সব রকম চেষ্টা চালাচ্ছে প্রশাসন।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

“বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় ঢুকব”—আসন সংখ্যা নিয়ে বড় হুঙ্কার বিজেপির

পরিবর্তন আসন্ন এবং জয় নিশ্চিতএমনই আত্মবিশ্বাসের সুরে কথা বললেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবার তিনি আরও বড় দাবি করলেন। তাঁর বক্তব্য, গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি যেখানে ৭৭টি আসন পেয়েছিল, সেখানে এবার সেই সংখ্যা বেড়ে হবে ১৭৭। শুভেন্দুর কথায়, ১৭৭টি আসন নিয়ে বিজেপি বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় ঢুকবে।শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, গত নির্বাচনে ৩৯ শতাংশ হিন্দু ভোট বিজেপির পক্ষে গিয়েছিল। এবার সেই হার বেড়ে ৪৫ শতাংশ হবে বলে তাঁর দাবি। হিন্দুদের পাশাপাশি আদিবাসীরাও বিজেপিকে ভোট দেবেন বলেই তিনি আশাবাদী। তাঁর কথায়, বিজেপি এক সময় ৩টি আসন থেকে ৭৭-এ পৌঁছেছিল, এবার সেই ৭৭ থেকে সরাসরি ১৭৭-এ পৌঁছবে দল।তবে শুভেন্দুর এই দাবিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের এক মুখপাত্র বলেন, আগে বিজেপির নেতারা ২০০ আসনের কথা বলেছিলেন, কিন্তু ফল হয়েছিল ৭৭। এবার শুভেন্দু বলছেন ১৭৭। আগের হিসাব ধরলে সংখ্যাটা ৫০-এর নিচেই নেমে যাবে বলে কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি ব্যঙ্গ করে বলেন, শুভেন্দু বুক ফুলিয়ে বিধানসভায় দর্শক হিসেবে ঢুকবেন কি না, সেটাই দেখার। বিধানসভায় দর্শক হিসেবে ঢুকতে হলে বিধায়কের সুপারিশ লাগে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এর মধ্যেই বাংলার রাজনীতিতে আরেকটি বড় পরিবর্তন সামনে এসেছে। আসন্ন বিধানসভা ভোটে কংগ্রেস এবার বামেদের সঙ্গে জোটে যাচ্ছে না। আগের বার জোটের ছবি দেখা গেলেও এবার সেই সমীকরণ ভেঙে গিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নিয়েও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি শুভেন্দু অধিকারী। কংগ্রেস ও তৃণমূলকে একই বন্ধনীতে রেখে তিনি বলেন, মালদহ ও মুর্শিদাবাদে কংগ্রেস মুসলিম ভোট পায়, আর তৃণমূল মুসলিম ভোটের উপর ভর করেই রাজ্য চালাচ্ছে। তবে বিজেপির এসব নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই বলেই জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির লক্ষ্য হিন্দু সমাজকে এক করা।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত কংগ্রেসের, বামেদের ছাড়াই বিধানসভা ভোটে নামছে দল

জোট নিয়ে জল্পনার মধ্যেই কংগ্রেসের একলা চল নীতি নিয়ে বারবার আলোচনা চলছিল। আগেই জানা গিয়েছিল, প্রদেশ কংগ্রেসের একাংশ, বিশেষ করে শুভঙ্কর সরকার ঘনিষ্ঠ শিবির জোট না করার পক্ষেই রয়েছে। আবার প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর শিবির বামেদের সঙ্গে জোট বজায় রাখার পক্ষে ছিল বলেও শোনা যাচ্ছিল। সেই জল্পনার মধ্যেই এবার এল বড় সিদ্ধান্ত।আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় বামেদের সঙ্গে জোট ভাঙার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস। অর্থাৎ, কোনও জোট নয়, রাজ্যের ২৯৪টি আসনেই এককভাবে লড়াই করবে কংগ্রেস। কংগ্রেস হাইকমান্ডের এই সিদ্ধান্তে বাংলার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল। এই পরিস্থিতিতে বাংলায় চতুর্মুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনাও জোরালো হচ্ছে।প্রদেশ কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক গুলাম মীর জানিয়েছেন, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের সঙ্গে বৈঠকেই এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এবার দলের কর্মী থেকে সাধারণ মানুষ সকলেই চাইছেন কংগ্রেস একাই লড়াই করুক। তাই ২৯৪টি আসনেই প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, বাম বা অন্য দলের সঙ্গে জোটের ফলে নিচুতলার কর্মীদের মনোবল ভেঙে পড়েছিল। সেই কারণেই জোট না করে এককভাবে লড়াইয়ের পথ বেছে নেওয়া হয়েছে। প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের এই ইচ্ছাকেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব মেনে নিয়েছে বলে জানান তিনি।অন্যদিকে অধীর রঞ্জন চৌধুরী জানিয়েছেন, তিনি দলের একজন কর্মী হিসেবে দল যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটাই মেনে নেবেন। কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্তের পর প্রতিক্রিয়া এসেছে বামেদের তরফেও। বাম নেতা বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য খানিক কটাক্ষ করে বলেন, কংগ্রেস একটি স্বাধীন দল এবং এককভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার তাদের রয়েছে। তাঁর ধারণা, এই সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত তৃণমূলকেই সুবিধা করে দেবে।এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও। তিনি বলেন, মালদহ ও মুর্শিদাবাদে কংগ্রেস মুসলিম ভোট পায় এবং তৃণমূলও মুসলিম ভোটের উপর ভর করেই সরকার চালাচ্ছে। তবে বিজেপির সে সব নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই বলেই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর কথায়, বিজেপির লক্ষ্য হিন্দু ভোটকে এক করা।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
বিদেশ

৫০ বছরের ইতিহাস ভেঙে পরমাণু অস্ত্রে আর কোনও সীমা নেই, বিশ্ব কি পরমাণু যুদ্ধের দিকে?

একের পর এক যুদ্ধে জ্বলছে বিশ্ব। গাজা থেকে ইউক্রেনসব জায়গাতেই সংঘাতের ছায়া ঘনাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আবারও সামনে এল পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কা। বিশ্বের দুই শক্তিধর দেশ আমেরিকা ও রাশিয়া এবার পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিযোগিতার মুখে দাঁড়াল।বৃহস্পতিবার রাশিয়া ও আমেরিকার মধ্যে শেষ যে পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি ছিল, তার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। গত অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে এই প্রথম দুই দেশের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারের উপর আর কোনও আইনি সীমা রইল না। নিউ স্টার্ট চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় নতুন করে পারমাণবিক অস্ত্রের প্রতিযোগিতা শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।যদিও গত বছর রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছিলেন, ওয়াশিংটন চাইলে আরও এক বছর তিনি নিউ স্টার্ট চুক্তির নিয়ম মেনে চলতে রাজি। তবে সেই প্রস্তাবে বিশেষ আগ্রহ দেখায়নি আমেরিকা। তখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি ছিল, এই চুক্তিতে চিনকেও যুক্ত করতে হবে। কিন্তু সেই প্রস্তাবে চিন সায় দেয়নি।রাশিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বিষয়ে তারা চিনের সঙ্গে আলোচনা করেছিল। তবে আমেরিকার তরফে কোনও স্পষ্ট উত্তর মেলেনি। ক্রেমলিনের পরামর্শদাতা ইউরি উষাকভ জানিয়েছেন, বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে রাশিয়া দায়িত্বশীল এবং ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেবে।উল্লেখ্য, ২০১০ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং রাশিয়ার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ নিউ স্টার্ট চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তি অনুযায়ী, দুই দেশকে সর্বাধিক ৭০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও বোমারু বিমান এবং ১,৫৫০টি পারমাণবিক ওয়ারহেডের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে হত। চুক্তির মেয়াদ প্রথমে ২০২১ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও পরে আরও পাঁচ বছরের জন্য তা বাড়ানো হয়েছিল। এবার সেই চুক্তিরও ইতি ঘটল।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
দেশ

অনুপ্রবেশ ইস্যুতে তৃণমূলকে তুলোধোনা, রাজ্যসভায় বিস্ফোরক মোদী

রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর রাজ্যসভায় জবাবি ভাষণ দিতে উঠে উত্তাল পরিস্থিতির মুখে পড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ভাষণ শুরু হতেই বিরোধী সাংসদদের তুমুল স্লোগানে সরগরম হয়ে ওঠে রাজ্যসভা। তবে সেই অবস্থার মধ্যেই নিজের বক্তব্য শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। স্লোগান তোলাকে কেন্দ্র করে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গেকে খোঁচা দিয়ে মোদী বলেন, বয়সের কথা মনে রেখে তিনি যেন বসে থেকেই স্লোগান দেন।প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই একাধিক বিরোধী সাংসদ রাজ্যসভা থেকে ওয়াকআউট করেন। সেই বিষয়টিকেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি মোদী। তিনি বলেন, কিছু মানুষ এত তাড়াতাড়ি ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন, কিন্তু তাঁদেরও একদিন প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। একই সঙ্গে কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী।মোদীর বক্তব্যে উঠে আসে কংগ্রেস আমলের প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, লালকেল্লা থেকে কংগ্রেসের প্রধানমন্ত্রীদের দেওয়া ভাষণগুলি বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট বোঝা যাবে যে তাঁদের কোনও দীর্ঘমেয়াদি ভাবনা ছিল না। সেই কারণেই দেশ বহু বছর পিছিয়ে পড়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি। মোদীর দাবি, কংগ্রেসের ভুল সংশোধন করতেই বর্তমান সরকারকে অনেক শক্তি ব্যয় করতে হয়েছে। তাঁর কথায়, বর্তমান সরকার ভবিষ্যতের কথা ভেবেই নীতি তৈরি করেছে এবং আজ দেশ নীতির ভিত্তিতেই চলছে।জবাবি ভাষণের সময় বাংলার প্রসঙ্গও তোলেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে নির্মম সরকার বলে কটাক্ষ করেন তিনি। রাজ্যসভায় উপস্থিত তৃণমূল সাংসদদের উদ্দেশে মোদীর মন্তব্য, নির্মমতার যত রেকর্ড ছিল, সবকিছুই তারা ভেঙে দিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, বাংলার মানুষের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে, অথচ ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য সেই নির্মমতাকেই প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে।অনুপ্রবেশ ইস্যুতেও তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী। মোদীর বক্তব্য, সারা পৃথিবীর দেশ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে। অথচ তৃণমূল সরকার অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতে আদালতে যাচ্ছে এবং আদালতের উপর চাপ সৃষ্টি করছে। তাঁর দাবি, এই অনুপ্রবেশকারীরাই যুব সমাজের চাকরি কেড়ে নিচ্ছে এবং আদিবাসীদের জমি দখল করছে। অথচ এসব বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ না নিয়ে তৃণমূল সরকার কেন্দ্রকে উপদেশ দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
দেশ

তুষারে ঢাকা পাহাড়ে এনকাউন্টার, কিস্তওয়ারে খতম পাক জঙ্গি আদিল

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের জম্মু-কাশ্মীর সফরের আগেই বড় সাফল্য পেল নিরাপত্তাবাহিনী। কিস্তওয়ার ও উধমপুরে পৃথক সংঘর্ষে জইশ-ই-মহম্মদের তিন জঙ্গি নিহত হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন আদিল, যাকে দীর্ঘদিন ধরে খুঁজছিল নিরাপত্তাবাহিনী। বাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, আদিল পাকিস্তানের নাগরিক এবং জঙ্গি সংগঠন লস্করের শীর্ষ নেতা সইফুল্লার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিল।নিরাপত্তাবাহিনী সূত্রে খবর, গত ১৮ মাস ধরে আদিলকে ধরার চেষ্টা চলছিল। একাধিকবার অভিযান হলেও সে প্রতিবারই পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল। বুধবার সন্ধ্যায় কিস্তওয়ার জেলার তুষারাবৃত চাতরু এলাকায় নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। এলাকা ঘিরে ফেলে গুলির লড়াইয়ের পর আদিলকে খতম করা হয়। এক নিরাপত্তা আধিকারিক জানান, প্রায় ২০ বার ধরা পড়ার মুখ থেকেও পালিয়ে গিয়েছিল আদিল, তবে এবার আর রেহাই পায়নি।এর আগে বুধবার সকালেই উধমপুর জেলায় একটি গুহায় আটকে পড়া জইশের দুই কমান্ড্যান্টের মৃত্যু হয়। ওই দুই জঙ্গির নাম রুবানি ওরফে আবু মাভিয়া এবং তার সহযোগী জুবায়ের। বাহিনীর সঙ্গে প্রায় ২০ ঘণ্টা ধরে তাদের গুলির লড়াই চলে। সকালে গুহার ভিতর থেকে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পরে দেখা যায়, গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে ওই দুই জঙ্গির দেহ।এই অভিযানে একটি এম-৪ কার্বাইন, একটি একে অ্যাসল্ট রাইফেল, তিনটি গ্রেনেড এবং বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে কাউন্টার ইনসার্জেন্সি ফোর্স ডেল্টা, হোয়াইট নাইট কোর, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং সিআরপিএফ যৌথভাবে অংশ নেয়।আদিল নিহত হওয়ার পর এবার লস্কর নেতা সইফুল্লার খোঁজে তল্লাশি আরও জোরদার করা হয়েছে। বাহিনী সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় দুই বছর আগে পাকিস্তান থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢোকে সইফুল্লা। এরপর কিস্তওয়ার ও দোদা এলাকায় একাধিক জঙ্গি হামলার সঙ্গে সে জড়িত বলে অভিযোগ। এখনও উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় ড্রোনের সাহায্যে নজরদারি চালানো হচ্ছে এবং তল্লাশি অভিযান চলছে।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বেগুনি মিছিলের প্রভাব? বাজেটে বাড়ল আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সাম্মানিক

ভোটের মুখে রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেটে আবারও জনমুখী সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। এর আগে রাজ্যজুড়ে আশা কর্মী এবং অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী-সহায়িকাদের বেগুনি মিছিল নজর কেড়েছিল। সেই আন্দোলনের প্রেক্ষিতেই তাঁদের সাম্মানিক বাড়ানোর ঘোষণা করা হল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। ভোটের আগে শেষ বাজেটে কার্যত কল্পতরু হয়ে উঠেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বৃহস্পতিবার বিধানসভায় বাজেট পেশের সময় রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানান, ২০২৬ সালের এপ্রিল মাস থেকে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও অঙ্গনওয়াড়ি সহায়িকাদের মাসিক সাম্মানিক আরও ১ হাজার টাকা করে বাড়ানো হবে। একই সঙ্গে আশা কর্মীদের সাম্মানিকও বাড়ানোর কথা ঘোষণা করা হয়েছে। চলতি বছরের এপ্রিল মাস থেকেই আশা কর্মীরা মাসে অতিরিক্ত ১ হাজার টাকা করে পাবেন।শুধু সাম্মানিক বৃদ্ধি নয়, আশা কর্মীদের জন্য আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধার কথাও জানানো হয়েছে। রাজ্যের অন্যান্য সরকারি কর্মীদের মতোই এবার থেকে আশা কর্মীরাও ১৮০ দিনের মাতৃত্বকালীন ছুটির সুবিধা পাবেন। এই সিদ্ধান্তকে বড় স্বস্তি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।এছাড়াও অকাল মৃত্যুর ক্ষেত্রে আর্থিক সুরক্ষার ব্যবস্থাও করা হয়েছে। বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী জানান, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকার অকাল মৃত্যু হলে তাঁদের পরিবার বা নিকট আত্মীয়কে এককালীন ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে আশা কর্মীদের ক্ষেত্রেও।উল্লেখ্য, গত ২৩ ডিসেম্বর থেকে কর্মবিরতিতে রয়েছেন রাজ্যের আশা কর্মীরা। জানুয়ারি মাসের শেষ দিকে কলকাতা-সহ রাজ্যজুড়ে তাঁরা আন্দোলনে নামেন। একাধিক দাবিকে সামনে রেখেই এই আন্দোলন শুরু হয়। যদিও মাতৃত্বকালীন ছুটি ও অকাল মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করা হলেও, মূল সাম্মানিক সংক্রান্ত দাবি এখনও পুরোপুরি মেটেনি বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।বর্তমানে আশা কর্মীদের মাসিক সাম্মানিক ৫২৫০ টাকা। আগামী এপ্রিল মাস থেকে তা ১ হাজার টাকা বেড়ে হবে ৬২৫০ টাকা। তবে ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর দাবি এখনও মঞ্জুর হয়নি।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

লক্ষ্মীর ভান্ডার বাড়ল, যুবদের মাসে ১৫০০ টাকা—বাজেটে একের পর এক চমক মমতার

৫ ফেব্রুয়ারি রাজ্য বিধানসভায় রাজ্যের অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করলেন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এই বাজেটে একের পর এক জনমুখী ঘোষণা করে কার্যত কল্পতরুর মতোই ধরা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মহিলাদের জন্য একাধিক প্রকল্পের পাশাপাশি রাজ্যের যুব সমাজের জন্যও বড় ঘোষণা করা হয়েছে।এই বাজেটে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে বড়সড় সুখবর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা মাসে ৫০০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। ফলে যাঁরা এতদিন মাসে ১ হাজার টাকা করে পেতেন, তাঁরা এবার থেকে পাবেন ১ হাজার ৫০০ টাকা। আর তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতিভুক্ত মহিলারা পাবেন মাসে ১ হাজার ৭০০ টাকা করে। কন্যাশ্রী প্রকল্পও আগের মতোই চালু থাকবে বলে জানানো হয়েছে।এবার রাজ্যের বেকার যুবদের পাশে দাঁড়াতে নতুন যুব-সাথী প্রকল্প চালুর কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য রাজ্যে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো এবং কাজ না পাওয়া যুবদের আর্থিক সহায়তা দেওয়া। আগামী ১৫ অগস্ট, স্বাধীনতা দিবস থেকেই এই নতুন প্রকল্প চালু হবে বলে জানানো হয়েছে।জানা গিয়েছে, মাধ্যমিক পাশ করা যুবক-যুবতীরাই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। বয়স হতে হবে ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। যাঁরা এখনও কোনও চাকরি পাননি, তাঁদের প্রতি মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা দেবে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, যুব-সাথী প্রকল্পে টানা পাঁচ বছর ধরে এই টাকা দেওয়া হবে এবং প্রায় ৩০ লক্ষ যুবক-যুবতী এই প্রকল্পের আওতায় আসবেন।এছাড়াও এবারের বাজেটে আশা কর্মী ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের ভাতাও বাড়ানো হয়েছে। তাঁদের মাসিক ভাতা ১ হাজার টাকা করে বৃদ্ধি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এই অন্তর্বর্তী বাজেটে মহিলা, যুব সমাজ এবং প্রান্তিক মানুষের জন্য একাধিক আর্থিক সুবিধার ঘোষণা করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal